শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২০, ০৪:২৬ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন কালীগঞ্জ উপজেলা বাসীকে ইউএনও রবিউল হাসান কালীগঞ্জবাসীকে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চেয়ারম্যান মিজু  কালীগঞ্জে ফেনসিডিলসহ মাদক বিক্রেতা আটক হাতীবান্ধায় নদীতে গোসল করতে গিয়ে শিশুর মৃত্যু মেধাবী শিক্ষার্থী সাম্মীর চিকিৎসায় এগিয়ে এলো সমাজকল্যাণ মন্ত্রী লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে ছাহেরা মোটরসের নতুন শো-রুম চালু কালীগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা নূরুল ইসলাম স্বরনে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত কালীগঞ্জে ইউপি চেয়ারম্যানের উদ্যোগে বাঁধ নির্মাণ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক ২৪ বছরের রেকর্ড ভেঙেছে তিস্তা ৯৬’র বন্যার মতো ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে তিস্তা তিস্তায় সব  কয়টি গেট খুলে দিলেও পানির গতি নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না  তীরবর্তী মানুষদের সরে যেতে মাইকিং রেড অ্যালার্ট,জারি
পদ্মাসেতু ঠেকানোর চেষ্টায় ছিলেন একজন সম্পাদকওঃ প্রধানমন্ত্রী

পদ্মাসেতু ঠেকানোর চেষ্টায় ছিলেন একজন সম্পাদকওঃ প্রধানমন্ত্রী

নিউজরুম এডিটরঃ
গ্রামীণ ব্যাংকে এমডি পদ টিকিয়ে রাখতে ড. মুহম্মদ ইউনূস পদ্মাসেতুতে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন বন্ধ করতে চেষ্টা করেন, আর ড. ইউনূসের হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে লবিং করেন বাংলাদেশের একটি জাতীয় দৈনিকের সম্পাদক।

এই তথ্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। তবে তিনি ওই সম্পাদকের নাম জানাননি, কেবল এটি বলেন, ওই সম্পাদক বেশ ভালো ইংরেজি জানেন।

শনিবার রাজধানীতে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সম্মেলনে বক্তব্য রাখছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তিনি দেশের জন্য কাজ করতে গিয়ে কী কী বাধার মুখে পড়েছেন, তার উদাহরণ দিতে গিয়ে এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘গ্রামীণ ব্যাংকের এমডি পদ ধরে রাখার জন্য ইউনূস একজন ভালো ইংরেজি জানা এডিটরকে আমেরিকায় নিয়ে গিয়ে লবিং করেন।’

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকারে আসার পর পদ্মাসেতু নির্মাণে উদ্যোগ নেয়। ঋণচুক্তি হয় বিশ্বব্যাংক, এডিবি, আইডিবির সঙ্গে। তবে পরামর্শক নিয়োগে দুর্নীতি চেষ্টার অভিযোগ তুলে অর্থ ছাড় করবে না বলে জানায় বিশ্বব্যাংক। আর বেশ কয়েক বছরের টানাপড়েনের পর ২০১২ সালের ৩০ জুন এই প্রকল্প থেকে সরে দাঁড়ায় বিশ্বব্যাংক। পরে সরে দাঁড়ায় এডিবি ও আইডিবি।

তবে সরকার শুরু থেকেই এই অভিযোগকে বানোয়াট বলে আসছিল। আর নিজ অর্থে সেতুর কাজ এগিয়ে চলার সময় ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে কানাডার আদালতে চলা একটি মামলার রায় প্রকাশ হয়। সেখানে বিচারক এই অভিযোগকে ‘গালগপ্প’ বলে বিশ্বব্যাংকের প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করেন।

আর এই রায়ের পর সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ৬৭ বছর হয়ে যাওয়ায় ড. ইউনূসকে গ্রামীণ ব্যাংকের এমডির পদ থেকে পদত্যাগ করতে বলার পর বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন নিয়ে সংকটের শুরু হয়। সে সময় যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বলা হয়, ড. ইউনূসকে এমডির পদ থেকে সরিয়ে দিলে পদ্মাসেতু প্রকল্পে অর্থায়ন বন্ধ হয়ে যাবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পদ্মাসেতু নির্মাণে বিশ্বব্যাংক অর্থ বন্ধ করে দিলে, আমি বিশ্বের অনেক দেশের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে তারা আমাকে সহায়তা দিয়েছে। দেশের মানুষ আমার সঙ্গে ছিল। ফলে পদ্মা সেতু নিজস্ব অর্থায়নে করতে পারছি।’

‘পদ্মা সেতুতে বিশ্বব্যাংক যাতে অর্থ সহায়তা না করে এ জন্য একজন লবিং করেছিল। ইউনূস সাহেবকে গ্রামীণ ব্যাংকের এমডি পদে রাখার জন্য তৎকালীন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার ফোন করেন। তাকে আমি বলেছি, এটা আদালতের বিষয়। এটাতে আমার কিছু করার নেই। পরে আরও অনেকে আমার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে কিন্তু আমি আর তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করি নাই।’

শেয়ার করুন:

সংবাদ টি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ভাষা পরিবর্তন করুন




© All rights reserved © 2018 লালমনিরহাট অনলাইন নিউজ
Design BY PopularHostBD