রাহেবুল ইসলাম টিটুল লালমনিরহাট।।
‘চীন নয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বকে তাক লাগিয়ে যেভাবে পদ্মা সেতু করেছেন, ঠিক সেভাবেই বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে দেশীয় অর্থে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবেন। উত্তরের তিস্তা নদীকেন্দ্রিক জনপদের মানুষের দুর্ভোগ লাঘব ও জীবনমান উন্নয়নে আসছে বাজেটে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নিতে হবে।’
শনিবার (১৪ মে) দুপুরে লালমনিরহাটের তিস্তা ডিগ্রি কলেজ মাঠে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ‘তিস্তা বাঁচাও নদী বাঁচাও’ সংগ্রাম পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি নজরুল ইসলাম হক্কানী এ কথা বলেন।
তিস্তা বাঁচাও নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির ব্যানারে তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিবছর প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বন্যা নদীভাঙন আর খরায় এ অঞ্চলের কৃষি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রংপুরের তিস্তা নদীপারের মানুষের দুর্ভোগ আর আহাজারির সীমা থাকে না। এই ক্ষতির হাত থেকে বিশাল জনগোষ্ঠীকে রক্ষায় নিজস্ব অর্থায়নে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি।
তিস্তা কনভেনশন ২০২২-এর এটিই আমাদের মূল দাবি।’ এ দাবি বাস্তবায়িত হলে এগিয়ে যাবে দেশ, চাঙা হবে অর্থনীতি বলে জানান তিনি।
তিস্তা বাঁচাও নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদের লালমনিরহাট সভাপতি সফিকুল ইসলাম কানুর সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন নদী গবেষক ও কারমাইকেল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের শিক্ষক তুহীন ওয়াদুদ ও পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমানসহ জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের নেতারা।
বিভিন্ন ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে নদীপারের ভুক্তভোগী মানুষ অনুষ্ঠানস্থলে আসেন। একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ছয় দফা দাবি বাস্তবায়নে শুরু হয় এই কনভেনশন।


