শুক্রবার, ১৬ এপ্রিল ২০২১, ১২:১১ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
কালীগঞ্জে মাল্টা চাষে স্বপ্ন বুনছেন নুরুল হক   ‘বৈশাখী মেলা নাই’ করোনায় বসি বসি চলছে হামার দিন হামরা এ্যালা কি করি খাই! করোনায় সংসারে স্বচ্ছলতা ফেরাতে পুরুষের পাশাপাশি ক্ষেত খামারে শ্রম বিক্রি করছেন নারীরা!  আইতে ঘুমির পাং না, ঘরোত বৃষ্টির পানি দিয়ে গাও বিছনা ভিজি যায় তবু কাউ একনা মোক ঘর দেয় না বাড়ি বাড়ি গিয়ে ম্যাক্স বিতরণ করলেন ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য প্রার্থী জাহিদুল পুলিশ জনগনের সেবক, প্রশংসা করলে ও কাজ করতে হবে,না করলেও কাজ করতে হবে পুলিশ সুপার সবকিছুর ঊর্ধ্বে একজন প্রকৃত ভালো মানুষ হয়ে উঠতে পারাটাই জরুরি -রাকিবুজ্জামান আহমেদ বর্তমান টেকনোলজি আমাদের সুযোগ করে দিয়েছে দূরে থেকেও কাছে থাকার হাতিবান্ধায় আবুল কাশেম সাবু ‘র’ স্মরণে দইখাওয়া আদর্শ কলেজ শোকসভা ও দোয়া মাহফিল আপনি চাইলে আপনার এলাকা থেকে মাদকের শিখর তুলে ফেলতে পারেন ওসি কালীগঞ্জ
দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আজ লালমনিরহাটে

দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আজ লালমনিরহাটে

রাহেবুল ইসলাম টিটুল লালমনিরহাট।।

লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। স্থানীয় আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, রোববার সকালে লালমনিরহাটে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৫.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কুড়িগ্রামের তাপমাত্রাও এক।

ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে গোটা জেলা। দুর্ঘটনা এড়াতে হেডলাইট জ্বালিয়ে সড়কে চলাচল করছে ছোট-বড় যানবাহনগুলো।

রাজারহাট আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (কৃষি) সুবল কুমার সরকার জানান, রোববার সকালে লালমনিরহাটে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৫.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। শুধু লালমনিরহাটেই নয়, এটি এ বছর দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। এ আবহাওয়া ফেব্রুয়ারির ৩ তারিখ পর্যন্ত থাকবে।

শৈত্যপ্রবাহে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষেরা। এদিকে শীতের কারণে আলু চাষিরা পড়েছে চরম বিপাকে। প্রচণ্ড শীতে আলুর ক্ষেতে দেখা দিয়েছে বিভিন্ন রোগ-বালাই।

মাটিকাটা শ্রমিক আবদুর রহিম বলেন, ‘আজকে অনেক শীত। কোন কাজ করতে পারতেছি না। শীত একদম গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির মতো পড়তেছে। আমরা ঠান্ডায় বার হইতে পাইতেছি না। কি করি খাম। কাজ না করলে ত বাচ্চাকাচ্চা নিয়ে বিপদে পড়ি। মাটি কাটার কাজ করতে যাই। দেখি কোদাল চোটপার পাই কি না।’

আরেক শ্রমিক ফুলচান মিয়া বলেন, ‘খুব ঠান্ডা আইজ। মনে হয় আইজ সব থাকি বেশি ঠান্ডা। তাও কাজত বের হইন আল্লাহ ভরসা। রাজ মিস্ত্রির কাজ বাবা। এ সাইকেলত যাবার লাগছি প্রায় ৫ কিলোমিটার দুরত।’

অন্যদিকে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে বেড়েছে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা। নিউমোনিয়া, সর্দি, কাশি, ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন রোগ নিয়ে ভর্তি হচ্ছে মানুষ। এদের মধ্যে শিশুরোগীর সংখ্যা বেশি।

লালমনিরহাট সিভিল সার্জন ডা. নির্মলেন্দু রায় বলেন, ‘জেলা সদর হাসপাতালসহ পাঁচটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত রোগী ভর্তি হচ্ছেন। আমরা যাথাসাধ্য চেষ্টা করছি রোগীদের সেবা দিতে বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে।

শেয়ার করুন:

সংবাদ টি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ভাষা পরিবর্তন করুন




© All rights reserved © 2018 লালমনিরহাট অনলাইন নিউজ
Design BY PopularHostBD