সোমবার, ১৭ মে ২০২১, ১২:৩৮ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
কালীগঞ্জে বিধিনিষেধের মধ্যেও মহিপুর তিস্তা সড়ক সেতুতে মানুষের ঢল কালীগঞ্জে অটো চোর চক্রের ২ সদস্য আটক ও অটোরিক্সা উদ্ধারে পুলিশের প্রেস ব্রিফিং কালীগঞ্জে উপজেলা বাসীকে ঈদের অগ্রীম শুভেচ্ছা জানিয়েছেন লোকমান গণি ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন গাইবান্ধার এডিসি রবিউল হাসান ঈদ-উল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন সাংবাদিক তিতাস আলম হাতীবান্ধা উপজেলা বাসীকে ঈদের অগ্রীম শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মোনাব্বেরুল হক মোনা হাতীবান্ধা বাসীকে ঈদের অগ্রীম শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ইউপি সদস্য পদপ্রার্থী জাহিদুল ইসলাম জাহিদ ঈদের অগ্রীম শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশ লিফ ঐক্য কল্যান পরিষদের সভাপতি ফরিদুল ইসলাম কালীগঞ্জ উপজেলা বাসীকে ঈদের অগ্রীম শুভেচ্ছা জানালেন শাহিনুর আলম খোকন কালীগঞ্জ উপজেলা বাসীকে অগ্রীম ঈদ শুভেচ্ছা জানালেন মনির হোসেন তালুকদার
আমি নুসরাতের হত্যাকারীর ফাঁসি চাই না

আমি নুসরাতের হত্যাকারীর ফাঁসি চাই না

জুঁই জেসমিন,
হ্যাঁ, ফেনীর সোনাগাজী ইসলামিয়া মাদ্রাসার যৌনকাতর অধ্যক্ষ সিরাজুদ্দৌলা ফাঁসি চাই না আমি – কেন এমন মানুষের ফাঁসি দেওয়া হবে ? যৌন নির্যাতনের চেষ্টা করেছে, আগুনে পুড়িয়ে মেরেছে এর জন্য সারাদেশ ব্যাপি চিৎকার —ফাঁসি চাই, ফাঁসি চাই, কি অদ্ভুত তো ? এমন মানুষের ফাঁসি দিলে দুই দিন পর আমরা এ ঘটনা ভুলেই যাবো। ফাঁসি না দিয়ে যদি চিড়িয়াখানা রাখা যায় সেটাই বেশ ভালো হতে পারে।

ছুটির দিনে আমরা চিড়িয়াখানা যাই, নানান রঙের নানান পশু পাখি দেখি-চিড়িয়াখানায় আরও নতুন কিছু দেখতে ইচ্ছে করে এবার। তা হলো অপরাধীদের চিড়িয়াখানা। মি: সিরাজুদ্দৌলা ও তার বাহিনী তো মানব নয় জঘন্য পশু, এমন ধর্ষক খুনিদের চিড়িয়াখানায় রাখা হলে বোধ হয় মন্দ হবেনা। দলে দলে দিনে দিনে মানুষ নুসরাতের হত্যাকারীদের দেখতে আসবে। অপরাধীকে রোজ দেওয়া হবে- পচা মাংস,মাছের ভুঁড়ি, ডাস্টবিনের বাসিপঁচা খাবার আর নর্দমার গন্ধ জল। এমন হত্যাকারীর খাতির যত্নাদি দেখে, যাতে শত শত মানুষের গা কুঁচকে ওঠে, শিউরে ওঠে পশম। তবেই আর কোনো ধর্ষকের আবির্ভাব হবে না সমাজে, বস্তিতে অলিতে গলিতে, শহরে, প্রাসাদে। সামান্য একটা দড়িতে ঝুলিয়ে পাঁচ বা দশ সেকেণ্ডের সাজা, যার নাম ফাঁসি। সব সাজার মধ্যে সস্তা সাজা হলো ফাঁসি । কষ্ট কি, যন্ত্রণা কি? যদি সে দীর্ঘ প্রহর পেলোইনা, ছটপট করলনা যন্ত্রণায়, তবে এ কেমন সাজা? মৃত্যু মানেই মুক্তি অতএব একজন অপরাধীর ফাঁসি দেওয়া, মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা মোটেও উপযুক্ত বিচার নয় । এসব অপরাধীকে জনময়দানে চাবুক মারা আর পশুদের সাথে চিড়িয়াখানায় রাখা বড় উপহার হবে, তার চেয়ে আরও ভাল হবে তাদের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে শুধু মাত্র প্রাণটা রেখে শরীরের সব মাংস বিলেতি কাবাব বানিয়ে ক্ষুধার্ত কাক কুকুরদের খেতে দেওয়া। কর্মের ফল বুঝুক আর ধুকেধুকে মরুক। তবেই- ধর্ষিতা, নির্যাতিতা হবেনা কোনো নারী!হবেনা যৌন নিপীড়নের স্বীকার, হবেনা ভয়াল মৃত্যু। ইতিহাস ফাটবে ফুটবে বিশ্ব দোলবে- লোভাতুর যৌন পিপাসু, অপরাধী, খুনি, ধর্ষক, এখন চিড়িয়াখানায়, শরীরে মাংস নেই, যার আহার বয়লারের ভুঁড়ি, দূর্গন্ধ পানি— এবার আপনারাই বলুন, কি চান অপরাধীর ফাঁসি, না অন্য কিছু ?

জুঁই জেসমিন, কবি ও লেখক।

শেয়ার করুন:

সংবাদ টি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ভাষা পরিবর্তন করুন




© All rights reserved © 2018 লালমনিরহাট অনলাইন নিউজ
Design BY PopularHostBD