সোমবার, ০৮ মার্চ ২০২১, ০৮:৩৭ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
৭ বছর আগে মৃত্যু ‘জীবিত’ না হলে মামলা করবেন লক্ষ্মীকান্ত কালীগঞ্জে পুর্ব শত্রুতার জেরে যুবককে কুপিয়ে জখম লালমনিরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় ব্যাংক কর্মকর্তা নিহত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা জানালেন তাহির তাহু আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা জানালেন শহিদুল হক শহীদ চন্দ্রপুর ইউনিয়নবাসীর সেবা করতে নির্বাচনে অংশ নিতে মাঠে নেমেছেন জামাল হোসেন খোকন লালমনিরহাটে পৌর পিতা হলেন স্বপন পাটগ্রামে সুইট কালীগঞ্জে গ্রাফিক্স ডিজাইনার খুঁজছে জলছাপ লালমনিরহাটে সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকী, থানায় জিডি কালীগঞ্জে সেই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে জন্ম সনদে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ তদন্তে স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক
মোতাহার হোসেনকে মন্ত্রীসভায় দেখতে চান হাতীবান্ধা-পাটগ্রাম এলাকার জনগন

মোতাহার হোসেনকে মন্ত্রীসভায় দেখতে চান হাতীবান্ধা-পাটগ্রাম এলাকার জনগন

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ীদের তালিকায় ঠাঁই পেয়েছেন লালমনিরহাট-১ (হাতীবান্ধা-পাটগ্রাম)  আসনে চতুথবারের মত সংসদ সদস্য মোতাহার হোসেন এমপি ।

এরপর থেকেই দাবি ওঠে হাতীবান্ধা-পাটগ্রাম বাসী। তাকে আবারও মন্ত্রীসভায় স্থান দেয়ার। উন্নয়নের বাকী কাজ গুলো শেষ করার জন্য আবারও মন্ত্রী দেখতে চান হাতীবান্ধা-পাটগ্রাম বাসী।

এ আসনে মোট ভোটার ৩,১৮,০২৩। মোট কেন্দ্র : ১৩২। সবকটি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোতাহার হোসেন ২,৬৪,০৩১ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির হাসান রাজীব প্রধান পেয়েছেন ১২,০০৩ ভোট।

বর্তমানে তিনি প্রাথমিক ও গণ শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের সম্পকির্ত সভাপতি ও লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করার পর লালমনিরহাট জেলার গণ- মানুষের নেতা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্হায়ী কমিটির সভাপতি মোতাহার হোসেন এম পি, মাধ্যমে এই জেলার উন্নয়ের যাত্রা শুরু হয়।

তার আমলেই হাতীবান্ধা ও পাটগ্রাম উপজেলায় সবচেয়ে বেশি উন্নয়ন কর্মকাণ্ড হয়েছে বলে দাবি হাতীবান্ধা ও পাটগ্রাম উপজেলা আওয়ামী লীগের।

লালমনিরহাট জেলাটি উন্নয়নে পিছিয়ে ছিল ব্রিটিশ আমল থেকেই। পরবর্তীতে ২০০৮ সালে এসে আওয়ামীলীগ সরকার যুগান্তকারী পরিবর্তন নিয়ে আসে। এ সময়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে লালমনিরহাট সদর ও পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রামে নিয়ে আসেন এবং বিভিন্ন উন্নয়ন অবকাঠামোর শুভ উদ্বোধন করেন ও এলাকার মানুষকে জননেতা মোতাহার হোসেনের পাশে থাকার আহবান জানান।

প্রাথমিক শিক্ষকদের নিজ জেলা লালমনিরহাটে করা হয়েছে পিটিআই সেন্টার এবং করা হয়েছে ডায়াবেটিকস ইনিস্টিটিউট।প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে করা হয়েছে বহুকক্ষ বিশিষ্ট।বুড়িমারী থেকে বড়বাড়ি পর্যন্ত মহাসড়ককে করা হয়েছে সংস্কার।

প্রতিটি প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে বিদ্যুৎ। পাকা করণ করা হয়েছে গ্রামের প্রতিটি কাঁচা রাস্তা। হাতীবান্ধায় চালু করা হয়েছিল ন্যাশনাল সার্ভিস। আলিমুদ্দিন কলেজ ও পাটগ্রাম সরকারী কলেজে খোলা হয়েছে অনার্স শাখা। করা হয়েছে ৪ তলা বিশিষ্ট আধুনিক হাতীবান্ধা থানা ভবন, বড়খাতায় করা হয়েছে নতুন ট্রাফিক পুলিশ ফাঁড়ি এবং হাতীবান্ধা উপজেলা স্থাপন করা হয়েছে ফায়ার স্টেশন। হাতীবান্ধায় করা হয়েছে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট সরকারী আধুনিক মেডিকেল ভবন।

২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, মোতাহার হোসেনসহ ছয়জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশগ্রহন করেন। তিনি ১ লাখ ৩৯ হাজার ৫৮৪ ভোট পেয়ে দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি জামায়াতের হাবিবুর রহমান ৭২ হাজার ৭৯১ ভোট পান।

২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচএম এরশাদ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি লেফটেন্যান্ট (অব.) মোতাহার হোসেনের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জামানত হারিয়ে ছিলেন।

শেয়ার করুন:

সংবাদ টি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ভাষা পরিবর্তন করুন




© All rights reserved © 2018 লালমনিরহাট অনলাইন নিউজ
Design BY PopularHostBD