বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২১, ১০:৪৬ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
কালীগঞ্জে মাল্টা চাষে স্বপ্ন বুনছেন নুরুল হক   ‘বৈশাখী মেলা নাই’ করোনায় বসি বসি চলছে হামার দিন হামরা এ্যালা কি করি খাই! করোনায় সংসারে স্বচ্ছলতা ফেরাতে পুরুষের পাশাপাশি ক্ষেত খামারে শ্রম বিক্রি করছেন নারীরা!  আইতে ঘুমির পাং না, ঘরোত বৃষ্টির পানি দিয়ে গাও বিছনা ভিজি যায় তবু কাউ একনা মোক ঘর দেয় না বাড়ি বাড়ি গিয়ে ম্যাক্স বিতরণ করলেন ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য প্রার্থী জাহিদুল পুলিশ জনগনের সেবক, প্রশংসা করলে ও কাজ করতে হবে,না করলেও কাজ করতে হবে পুলিশ সুপার সবকিছুর ঊর্ধ্বে একজন প্রকৃত ভালো মানুষ হয়ে উঠতে পারাটাই জরুরি -রাকিবুজ্জামান আহমেদ বর্তমান টেকনোলজি আমাদের সুযোগ করে দিয়েছে দূরে থেকেও কাছে থাকার হাতিবান্ধায় আবুল কাশেম সাবু ‘র’ স্মরণে দইখাওয়া আদর্শ কলেজ শোকসভা ও দোয়া মাহফিল আপনি চাইলে আপনার এলাকা থেকে মাদকের শিখর তুলে ফেলতে পারেন ওসি কালীগঞ্জ
হাতীবান্ধায় মাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়ার অভিযোগ মামলা নেয়নি পুলিশ

হাতীবান্ধায় মাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়ার অভিযোগ মামলা নেয়নি পুলিশ

হাতীবান্ধা (লালমনিরহাট) প্রতিনিধিঃ 

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় জমির জন্য নিজ মা জরিনা বেওয়াকে(৭০) মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে অভিযুক্ত ছেলে হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দেয়ার ২০ দিন পেড়িয়ে গেলেও মামলা নতিভুক্ত করেনি পুলিশ।

এ ঘটনায় গত বুধবার (৮এপ্রিল) জরিনা বেওয়া বাদী হয়ে তিন জনকে আসামী করে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। এর আগে ৭এপ্রিল বিকেলে উপজেলার উত্তর বিছনদই এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটেছে।

এদিকে এখন পর্যন্ত ছেলের ভয়ে নিজ বসত বাড়িতে ফিরতে পারেননি অসহায় ওই মা। বর্তমানে উপজেলার উত্তর বিছনদই গ্রামের মেয়ে জামাই দবিয়ার রহমানের বাড়িতে রয়েছেন। ঘটনার পর নিজ বাড়িতে গেলে অভিযুক্ত ছেলে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে বাড়িতে ঢুকতে না দিয়ে ভয় ভীতি দেখিয়ে বের করে দেন। এমনকি সেখানে যেন আর না যায় তার জন্য হুমকি-ধামকি দেয়া হয় বলে জানান জড়িনা বেওয়া।

আহত জরিনা বেওয়া উপজেলার উত্তর বিছনদই এলাকার মৃত আফছার আলীর স্ত্রী। অভিযুক্তরা হলেন, উপজেলার উত্তর বিছনদই এলাকার মৃত আফছার আলীর ছেলে হুমায়ুন কবির (৩২), শফিকুল ইসলাম(৫০), হুমায়ুন কবিরের স্ত্রী এছমোতারা বেগম (২৮)।

জানা গেছে, উপজেলার ওই এলাকার আফছার আলীর প্রথম স্ত্রীর মৃত্যুর পর জরিনাকে বিয়ে করেন। পরে আফছার আলী মারা যাওয়ার পর চাতালে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসেন। নিজ সন্তানদের লালন পালন এর পাশাপাশি টাকা জমিয়ে নিজ নামে তিন বিঘা জমি ক্রয় করেন জরিনা।

এর মধ্যে এক বিঘা এগারো শতক জমি ছেলে হুমায়ুন কবিরকে ও এগারো শতক চার কন্যাকে দানপত্র করে দেয়। আর নিজের নামে এগারো শতক জমি রেখে দেয়। মেয়েদের জমি দেয়ায় ছেলেরা তার উপর রেগে যায়।

আর তখন থেকেই শুরু হয় নির্যাতন। এমন অবস্থায় গত ০৭ এপ্রিল জরিনা বেওয়াকে মারধর করে বাড়ি থেকে দেয় ছেলেরা। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করান।

এ বিষয়ে জরিনা বেওয়া বলেন, মেয়েদের জমি লিখে দেওয়ায় আমার ছেলে আমাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। পরে আবারো বাড়িতে গেলে আমাকে ঢুকতে না দিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং হুমকি-ধামকি দিয়ে বের করে দেন। এমনকি বয়স্ক ভাতার কার্ডটিও দেননি।

পরে চেয়ারম্যানকে বলে নেয়া হয়। ওই ছেলে খুবই খারাপ। আমি এভাবে আর কতদিন জামাই বাড়িতে থাকবো। এভাবে কি থাকাটা সম্ভব বলেন? এ নিয়ে আমি থানায় অভিযোগ করলেও পুলিশ এখনো কোন ব্যবস্থা নেয়নি। আমি ওই ছেলের শাস্তি চাই। আমি আমার বাড়িতে ফিরতে চাই।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত জরিনা বেওয়ার ছেলে হুমায়ুন কবির বলেন, আমি যদি আমার মাকে মারধর করি তাহলে আপনারা এসে তদন্ত করে দেখেন। তিনি একটু দেওয়ানী স্বভাবের। মেয়ে জামাইয়ের কথা শুনে চলে।

এ বিষয়ে হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক জানান, আমি দেশের বাইরে ছিলাম। তাই বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন:

সংবাদ টি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ভাষা পরিবর্তন করুন




© All rights reserved © 2018 লালমনিরহাট অনলাইন নিউজ
Design BY PopularHostBD