রাহেবুল ইসলাম টিটুল লালমনিরহাট।।
লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার জুম্মাপাড়া এলাকার আলমগীর শেখের ভারতীয় ভিসা ভারতীয় ভিসা বাতিল করেছে দেশটি।
গত সেপ্টেম্বরের ৩ তারিখ আলমগীর শেখ (৩৫)ভারতে টুরিস্ট ভিসায় গিয়ে ভারত যান।ভারতে অবস্থান কালে বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়ান।এসময় ফেসবুক লাইভে বেশ কিছু কথা বলেন।গত শুক্রবার ভারত কর্তৃপক্ষের নজরে আসে সেই ভিডিও।গত রবিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) আলমগীর বাড়ি ফেরার সময় চ্যাড়াবান্দায় তাকে আটক করা হয়।
আলমগীর শেখ লালমনিরহাটের পাটগ্রাম পৌর শহরের জুম্মাপাড়া এলাকার নুরু শেখের ছেলে।
বুড়িমারী বন্দর সুত্র জানাগেছে,এসময় ভারতীয় ইমিগ্রেসন সহ বেশ কিছু দপ্তর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে।রবিবার সন্ধ্যায় ফেরার সময় ৬টা বাজার পরেও আলমগীর বাংলাদেশে প্রবেশ করছিলোনা।ভারত ইমিগ্রেসনের নির্ধারিত সসময় ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা। বাংলাদেশ ইমিগ্রেসন থেকে আলমগীরকে বারবার বাংলাদেশে ফেরত দিতে বলা হয়।ভারত ফেরত দিতে দেরি করছিলো।এরপর রাত ৮টায় বিজিবি,বিএসএফ,ইমিগ্রেসন,বন্দর কর্তৃপক্ষের উপস্থিতে আলমগীরকে ফেরত দেয়।এসময় তার ভিসায় “রিজেক্টেট” লিখে দেয়।এর বাহিরে সেই দেশের থানা পুলিশ বা বাংলাদেশের থানা পুলিশের আইনি কোনো পদক্ষেপ জড়িত নয়।জথারীতি আলমগীর বাড়ি ফেরত যায়।
সুত্রটি বলে,ফেসবুক লাইভে বলা কথা বার্তাকে ভারত কর্তৃপক্ষ হয়তো তাদের সার্বভৌমের হুমকি মনে করেছে।
বুড়িমাড়ী বন্দরের ইমিগ্রেশন পুলিশের ইনচার্জ আহসান হাবীব সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,বড় কোনো ঘটনা ঘটেনি।ছেলেটির বেশি কথা বলার অভ্যাস লক্ষ করা গেছে।ভিসাতে “রিজেক্টেট” লেখার মাধ্যমে ভারত বোঝাতে যাচ্ছে,তারা এই ছেলেটিকে তাদের দেশে আর নিতে চাচ্ছেনা।
“আলমগীর শেখ ফেসবুক পোস্ট থেকে জানা যায়, ভারতের আগ্রার তাজমহলে গিয়ে,একটি লাইভে বলেন, ১৯৭১ সালে ভারত আমাদের অনেক সহযোগিতা করছেন,পাশাপাশি পাকিস্তান থেকে আমাদের ভাগ করে দিয়েছেন। এবার বাংলাদেশের জনগণ মিলে আমরা ভারতকে ভাগ করতে চাই। মনিপুরের জয় হোক।
পাশাপাশি আমার বাংলা আমি ফেরত চাই।
পশ্চিমবঙ্গ,ত্রিপুরা আসাম রাজ্য বাংলাদেশের কাছে ফেরত দিতে বলেন।”


