বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২১, ০৮:৪৪ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
কালীগঞ্জে মাল্টা চাষে স্বপ্ন বুনছেন নুরুল হক   ‘বৈশাখী মেলা নাই’ করোনায় বসি বসি চলছে হামার দিন হামরা এ্যালা কি করি খাই! করোনায় সংসারে স্বচ্ছলতা ফেরাতে পুরুষের পাশাপাশি ক্ষেত খামারে শ্রম বিক্রি করছেন নারীরা!  আইতে ঘুমির পাং না, ঘরোত বৃষ্টির পানি দিয়ে গাও বিছনা ভিজি যায় তবু কাউ একনা মোক ঘর দেয় না বাড়ি বাড়ি গিয়ে ম্যাক্স বিতরণ করলেন ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য প্রার্থী জাহিদুল পুলিশ জনগনের সেবক, প্রশংসা করলে ও কাজ করতে হবে,না করলেও কাজ করতে হবে পুলিশ সুপার সবকিছুর ঊর্ধ্বে একজন প্রকৃত ভালো মানুষ হয়ে উঠতে পারাটাই জরুরি -রাকিবুজ্জামান আহমেদ বর্তমান টেকনোলজি আমাদের সুযোগ করে দিয়েছে দূরে থেকেও কাছে থাকার হাতিবান্ধায় আবুল কাশেম সাবু ‘র’ স্মরণে দইখাওয়া আদর্শ কলেজ শোকসভা ও দোয়া মাহফিল আপনি চাইলে আপনার এলাকা থেকে মাদকের শিখর তুলে ফেলতে পারেন ওসি কালীগঞ্জ
সময় থাকলে এক নজর দেখে নিন ‘নিম গাছের উপকারিতা ও গুণাগুণ’

সময় থাকলে এক নজর দেখে নিন ‘নিম গাছের উপকারিতা ও গুণাগুণ’

প্রাচীনকাল হতে, মানুষ রোগ আরোগ্যের জন্যে ভেষজ উদ্ভিদ ব্যবহার করে আসছে। কোন উদ্ভিদের রোগ নিরাময় ক্ষমতা থাকলে তাকে ভেষজ উদ্ভিদ বলে। এছাড়া উদ্ভিদ মানুষের জীবনে উপকার হিসেবেই কাজ করে আসছে। যেমন নিম গাছ, নিম গাছের সঙ্গে সবাই কমবেশি পরিচিত আছে। বাংলায় যেমন নিম বা নিম গাছ, হিন্দি ও উর্দুতে নিম এবং সংস্কৃতে নিম নামে পরিচিত, বৈজ্ঞানিক নাম অ্যাজাডিরাকটা ইনডিকা (অুধফরৎধপযঃধ রহফরপধ অুঁংং) মেলিয়েসি গোত্রের।

 নিম গাছের উপকারিতা- খ্রিষ্টপূর্ব আনুমানিক ৪০০ সালে বৈদিক যুগে নিম জীবাণু ধবংসকারী হিসেবে প্রয়োগ হতো। ক্ষয় রোগ, ক্রিমি প্রভৃতি রোগে নিমের উপকারিতার প্রমাণ পাওয়া যায়। দুষিত বায়ু বা অন্য কোন কীটের উপদ্রব থেকে রক্ষা করতে এর ভুমিকা আছে।

নিম গাছের গুণাগুণ- নিমের ছাল অজীর্ণ রোগে ৪/৫ গ্রাম নিমের ছাল ১কাপ গরম জলে রাতে ভিজিয়ে সকালে খালি পেটে খেলে উপকার পাওয়া যায়। যে কোন বয়সে স্বপ্নদোষে নিমের ছালের রস ২৫/৩০ ফোটা কাঁচা দইসহ সেবন করলে উপকার পাওয়া যায়। গায়ে চুলকানি বা শরীরে সর্বদা চুলকায় সে ক্ষেত্রে শুকনা নিমপাতা তেলে ভেজে ভাতের সঙ্গে খেলে সপ্তাহ মধ্যে এ অসুবিধা থাকে না।  গুড়ো কৃমি- ৫/৭টি নিম পাতার গুড়ো করে খেলে ফলদায়ক হয়।  নিম ফুল- রাতকানা রোগে নিমের ফুল ভেজে খেলে এ অসুবিধা থাকে না। দীর্ঘদিনের ক্ষতে নিমের ছাল জা¦ল দিয়ে কাথ করে খেলে ক্ষতের আরোগ্য হয়।

 বেশি বমি হলে ৫/৭ ফোঁটা নিম পাতার রস দুধের সঙ্গে মিশিয়ে খেলে বমিভাব থাকে না।

 ৩/৪টি নিম পাতা ও ১ গ্রাম কাচাঁ হলুদ এক সঙ্গে বেটে খালি পেটে খেলে প্র¯্রাব ও সেই সঙ্গে চুলকানি থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। যে সমস্ত বহুমূত্র রোগীর গায়ের ঘা সারতে চায় না সে ক্ষেত্রে নিমের বাটা

এ থেকে দেড়গ্রাম মাত্রায় দুধের সঙ্গে খেলে উপকার পাওয়া যায়।এক গ্রাম নিমের ছাল, অর্ধ গ্রাম কাঁচা হলুদ ও একগ্রাম আমলকির গুড়ো সকালে খালি পেটে সপ্তাহ খেলে যকৃতের ব্যথা উপশম হয়।

মোট কথা নিম গাছ যে বাড়ির আঙ্গিনায় থাকে রোগ বালাই কম থাকে বলে ধারনা করা হয়।

শেয়ার করুন:

সংবাদ টি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ভাষা পরিবর্তন করুন




© All rights reserved © 2018 লালমনিরহাট অনলাইন নিউজ
Design BY PopularHostBD