লালমনিরহাট প্রতিনিধি--
লালমনিরহাট জেলার হাতিবান্ধা উপজেলার
থানা পাড়া গ্রামে, যৌতুকের কারণে স্ত্রীকে অমানুষিক ভাবে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘদিন নির্যাতন সহ্য করার পর গৃহবধূর বাবা লিটন থানায় অভিযোগ দায়ের করলেও এখনও গ্রেফতার হয়নি কেউ। আর এদিকে হাতিবান্ধা থানার এস আই বজলু বলছে, তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
গৃহবধূ সুমি বেগম (২২) এর বাড়ি কালীগঞ্জ উপজেলার মদাতী ইউনিয়নে উত্তর মুশরত মদাতী। বিয়ে হয়- ১ লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকা যৌতুকে ৪ বছর আগে বিয়ে হয় হাতিবান্ধা থানা পাড়া গ্রামের বক্তার আলীর ছেলে নুর আলম - রাজন( ২৮) এর সঙ্গে। ২ বছর আগে কয়েক আগে ব্যবসার কথা বলে ঢাকায় নিয়ে নিজেকে, জড়ায় পরকীয়ায়।
এর আগে অনেক বার গ্রামে মেম্বার চেয়ারম্যান দারায় অনেক বার ওর বাড়িতে শালিস বইটোক হয়।
সম্প্রতি বাড়িতে এসে, সেই ব্যবসারই প্রয়োজনে বাকী স্ত্রীকে পঞ্চাশ হাজার টাকা যৌতুক আনতে বলে। আর তা দিতে না পারায় ২ আগস্ট সকালে তার মা বোন সহ চলায় অকথ্য নির্যাতন পরে সুমি বেগম অসুস্থ হয়ে পড়লে থানা পুলিশের মাধ্যমে সুমি বেগম কে উদ্ধার করে মেডিকেলে ভর্তি করে দেয় তার বাবা।
প্রতিবেশীরা জানান, মাঝে মাঝেই বাড়ির ভেতর আর্তচিৎকার আর কান্নার আওয়াজ শুনে ছুটে আসেন তারা। কিন্তু ভয়ভীতি দেখানো ও দরজা তালাবদ্ধ থাকায় তাদের কেউই ভেতরে ঢুকতে পারেননি।
এ বিষয়ে কথা বলতে স্বামী নুর আলম - রাজন বাড়িতে পাওয়া যায়নি। আর তার বোন চায়নি ক্যামেরার সামনে কথা বলতে। গেলো ২ আগস্ট থানায় অভিযোগ দায়ের করেন গৃহবধু সুমির বাবা।
দীর্ঘ দিন ধরে চিকিৎসার জন্য সুমি বেগম মেডিকেলে ভর্তি থাকলেও মামলা আমলে নেয়নি পুলিশ ও কাউকে গ্রেফতার করেনি।।
আর এ বিষয়ে হাতিবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে মুঠোফোনে একাধিক বার যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন ফোন রিসিভ করেন নি।।
তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। সংবাদ টি শুধু মাত্র অনলাইন ভার্সনের জন্য প্রযোজ্য ....
Copyright © 2026 লালমনিরহাট অনলাইন নিউজ. All rights reserved.