কালীগঞ্জ লালমনিরহাট সংবাদদাতা।
বছর দশেক আগে যে জনপদের শতভাগ মানুষই ছিল রাসায়নিক সার আর কীটনাশক নির্ভর। এখন সে জনপদে রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমেছে অর্ধেকেরও বেশি। গৃহপালিত গবাদিপশুর বর্জ্য থেকে ভার্মি কম্পোস্ট সার উৎপাদন করে তারা নিজেদের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বাজারজাত করছে। করছে বাড়তি আয়। বলছি লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জে উপজেলার সুন্দাহবি গ্রামের কৃষকদের কথা।
২০২৪ সাল থেকে উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শে গরুর গোবর থেকে ভার্মি কম্পোস্ট সার উৎপাদন শুরু করেন।
প্রথমে নিজের চাহিদা আনুপাতিক উৎপাদন করলেও গেল দুবছর বানিজ্যিক ভাবে ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদন করছেন তারা। প্রতি মাসে গড়ে ২শ কেজি ভার্মি কম্পোস্ট সার উৎপাদন করে নিজের চাহিদা মেটানোর পরিবারে বাড়তি আয় করছেন সোবাহান সহ অনেকে।
একই এলাকার ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদনকারী বাপ্পি মিয়া জানান, বাণিজ্যিক ভাবে এ সার উৎপাদন করছেন তিনি ও। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এ বছর ১৩ টাকা কেজি মুল্যে সোবাহানের কাজ থেকে ২শ কেজি সার ক্রয় করেছে। এ ছাড়াও প্রতিদিন ভার্মি কম্পোস্ট সারের জন্য দুর দুরান্ত থেকে কৃষকরা আসে তার কাছে। উৎপাদনের তুলনায় চাহিদা বেশি থাকার কথাও জানান সোবাহান। সোবাহানের দেখা দেখিতে এলাকার অনেক বেকার যুবক এখন ভার্মি কম্পোস্ট সার উৎপাদন করছেন। দিন দিন এ সারের জনপ্রিয়তা বাড়ছে তুষভান্ডার ইউনিয়নের সুন্দাহবি গ্রামে।
কালিগঞ্জ উপজেলার কৃষি উপসহকারী কর্মকর্তা মৃনাল কান্তি রায় জানিয়েছেন, রাসায়নিক সারে নির্ভর থাকা চাষিরা বর্তমানে রাসায়নিক সারের পরিবর্তে ভার্মি কম্পোস্ট বা কেঁচো সার উৎপাদন ও ব্যাবহার করে পরিবেশ ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার পাশাপাশি স্বল্প খরচে অধিক লাভবান হচ্ছেন।
বর্তমানে ২৯ জন কৃষক ভার্মি কম্পোস্ট সার উৎপাদন করে নিজেদের জমিতে ফসল উৎপাদন করে ভাগ্য পরিবর্তন করেছেন। এ ছাড়াও নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে বানিজ্যিক ভাবে ভার্মি কম্পোস্ট সার বাজারজাত করছেন ওই গ্রামের চার জন কৃষক। ১২ টাকা পায়কারি দাম হলেও খুচরা ১৪-১৫ টাকায় ভার্মি কম্পোস্ট বিক্রি করছেন তারা।
তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। সংবাদ টি শুধু মাত্র অনলাইন ভার্সনের জন্য প্রযোজ্য ....
Copyright © 2026 লালমনিরহাট অনলাইন নিউজ. All rights reserved.